ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলা দর্শনীয়স্থানসমুহঃগোপালগঞ্জ ,ফরিদপুর ,রাজবাড়ী ,মানিকগঞ্জ ,মুন্সীগঞ্জ

মুন্সিগন্জ জেলার দর্শনীয় স্থান travel Bangladesh ট্রাভেল বাংলাদেশ tourism Bangladesh ট্যুরিজম বাংলাদেশ

মুন্সিগন্জ জেলার দর্শনীয় স্থান travel Bangladesh ট্রাভেল বাংলাদেশ tourism Bangladesh ট্যুরিজম বাংলাদেশ

travel Bangladesh ট্রাভেল বাংলাদেশ tourism Bangladesh ট্যুরিজম বাংলাদেশ মুন্সিগঞ্জ জেলার দর্শনীয় স্থান

https://smdalikarim10.blogspot.com/




আসমাউল হুসনা নামফলক :মুন্সিগঞ্জ  শহরের প্রাণকেন্দ্রে পৌরসভার সন্নিকটে দক্ষিণ-পূর্ব কোণে শহরের পুরাতন কাচারির চত্বর -কাটাখালি সড়ক, কাচারি -মুন্সিরহাট সড়ক ও কাচারি-গণকপাড়া সড়কের সংযোগস্থলে প্রায় তিরিশ ফুট উচ্চতার  আল্লাহর পবিত্র  ৯৯ নাম  খচিত মিনারটি  যা আসমাউল হুসনা চত্বর নামে উন্মোচিত হয়েছে



প্রায় ফুট উচ্চতার এই মিনারটি নিচের প্ল্যাটফর্ম ভূমি থেকে চার ফুট উঁচু এবং ১০ কোন আকৃতির এখানথেকে চার কোন আকৃতির একটি স্তম্ভ ২২ফুট উঁচুতে উঠে গেছে প্রতিটি কণার মাপ ৩ফুট বাই ৩ ফুট যাতে আল্লাহর ৯৯ নাম শোভা পাচ্ছে আল্লাহর নাম মিনার  এটি ১৯৭১ সালের  মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি ১৫ ই আগস্ট১৯৭৫ সালে শহীদদের প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে.


https://smdalikarim10.blogspot.com/




bangladesh parjatan corporation,tourist boad,tourism day,tourist information,tourism,trab,tourist attractions,travel bangladesh,n,tourist spot,tourism bangladesh,tourist places,rural tourism,travel,

মুক্তিযুদ্ধ ভাস্কর্য 




https://smdalikarim10.blogspot.com/



বাবা আদম শহীদ রহমতুল্লাহি মসজিদ মুন্সিগঞ্জবিক্রমপুরের রাজা বল্লাল সেন একজন নাস্তিক ছিলেন তিনি মুসলমানদের আজান দিয়ে মসজিদে নামাজ আদায় করা এবং গরু জবাই করা অপছন্দ করতেন এবং ঘোর বিরোধী ছিলেন মসজিদগুলোতে মন্দিরে পরিণত করেছিলেন এবং তার আদেশ অমান্য করলে তাদের কঠিন শাস্তি দেওয়া হতো

বল্লাল সেন এর রাজ্যে কোন এক মুসলমান তার ছেলের জন্মদিনের অনুষ্ঠান করার জন্য গরু জবাই করলেন ভাগ্য সহায় ছিলনা গরুর গোশতের একটা টুকরা বল্লাল সেনের রাজপ্রাসাদ কাক নিয়ে ফেলে দেয়  বল্লাল সেন খুঁজতে থাকে কে গরু জবাই করেছে এই খবর শুনতে পেয়ে গরু জবাই করা মুসলমান সপরিবারে রাজার শাস্তির ভয়ে পলায়ন করে মক্কায় আশ্রয় নেয়

মক্কায় বাবা আদম মুসলমান ব্যক্তির কাছেই উক্ত ঘটনা শুনতে পায় এবং তিনিই রাজা বল্লাল সেন কে শায়েস্তা করার জন্য বিশাল সৈন্যবাহিনী  জোগাড় করেন এবং বিক্রমপুর অভিমুখে যাত্রা করেন পথিমধ্যে অনেক জায়গায় যুদ্ধে জয়লাভ করেন এবং বিক্রমপুর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে তিনি তার আস্তানা গাড়েন এখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয় যা বর্তমান বাবা আদম শহীদ রহমাতুল্লাহ আলাইহির মসজিদ নামে পরিচিত

বাবা আদম এখানে মসজিদ নির্মাণ করে আজান দিয়ে নামাজ আদায় করা শুরু করেন রাজা বল্লাল সেন
বাবা আদম রহমতুলা আলাহি কে তার কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেন বাবা আদম রাজার আদেশের তোয়াক্কা না করে তার কার্যক্রম পরিচালনা করতে থাকেন বাবা আদম বল্লাল সেন এর কাছে একত্ববাদ এর দাওয়াত পাঠিয়ে চিঠি দেন এবংতাকে ক্ষমা চাওয়ার জন্য আহ্বান জানান বাবা আদমের যুদ্ধের বিজয়গাথা  আগেই লোকমুখে শুনে ছিলরাজা বল্লাল সেন বাবা আদমের বিরুদ্ধে যুদ্ধের  প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং তার পরিবার কে শর্ত দিয়ে আসেন যে তার কবুতর যদি উড়ে আসে তাহলে মনে করবে যে  রাজা যুদ্ধে পরাজিত হয়েছে তাহলে সকলেই অগ্নিকুন্ডে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করবেন সে মোতাবেক সে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করল এবং রওনা করল 

রামপালের কানাই সঙ্গে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয় যুদ্ধে বাবা আদম নিহত হন এবং রাজা বল্লাল সেন জিতে যান সেই খুশিতে পানি পান করতে গিয়ে অসতর্কতাবশত তার কবুতর উড়ে চলে যায় প্রাসাদে ফলশ্রুতিতে তার পরিবার অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায় সেই সুখে তিনিও আত্মহত্যা করেন
বিক্রমপুর রামপাল মুসলমানদের করতাল কত হয় এবং সবাই শান্তিতে বসবাস করা হয় এবং বাবা আদমের পাশেই তার সমাধিস্থ করা হয় যা বাবা আদম এর মাজার বলে সবাই জানেন

মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরের রামপাল রামপালের অন্তর্গত রেকাবি বাজার ইউনিয়নের কাজি কসবা গ্রাম এখানে অবস্থিত বাবা আদম মসজিদ টেরাকোটা  মসজিদটি বহু গম্বুজ বিশিষ্ট এবং  আয়তাকৃতির অভ্যন্তর ভাগের পরিমাপ ১০.৩৫ মিটার এবং পাশে ৬.৭৫ মিটার এবং বাহিরের পরিমাপ ১৪.১০ মিটার এবং ১১.৪৫ মিটার 

কিভাবে যাবেন রামপালে বাবা আদম এর মাজার এবং মসজিদ দেখতে বহু পর্যটকদের ভিড় জমায় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন বাবা আদমের মাজার এবং মসজিদ ঢাকা সায়দাবাদ থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে বাবা আদমের মসজিদ এবং মাজার আপনি ইচ্ছা করলে সড়ক পথে যেতে পারেন অথবা নদীপথে ও সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে আপনি রামপালে পৌঁছে যেতে পারেন দুই ঘণ্টার মধ্যেই সদরঘাট থেকে নৌকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকায় আপনি যেতে পারেন রামপাল স্বাচ্ছন্দ ভ্রমণ আপনার জন্য শুভকামনা রইল





https://smdalikarim10.blogspot.com/


অতীশ দীপংকরের জন্মস্থানঃ  অতীশ দীপংকর ৯৮২ সালে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুর ইউনিয়নের বজ্রযোগিনী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন পন্ডিত ও বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারক ছিলেন। তার জন্মস্থান বা বাড়ীকে এখনো স্হানীয় জনগন পন্ডিতের ভিটা বলে অভিহিত করে। 

কিভাবে যাবেনঃঢাকা থেকে বাসে চড়ে মুন্সিগন্জ সদর।তারপর অটোরিকশা ভাড়া করে ঘুরে বেড়াতে পারবেন।



https://smdalikarim10.blogspot.com/ইদ্রাকপুর কেল্লা  Idrakpur Fort


ইদ্রাকপুর কেল্লাঃ  ১৯৬০ সালে নির্মিতঐতিহ্যবাহি স্হাপত্য মুন্সিগন্জ জেলার আরও  একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন ইদ্রাকপুর কেল্লা।মোগল শাসন আমলে বাংলা সুবাদার মীর জুমলা কেল্লাটি নির্মান করেন।ইদ্রাক পুর গ্রামে ইছামতী নদীর তীরে জলদস্যু ও তৎকালীন পর্তুগীজদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে নির্মান করা হয়। কেল্লা টি দৈর্ঘ প্রায় ৮২ মিটার এবং প্রস্ত ৭২ মিটার, চারপাশে সুউচ্চ প্রাচীর দ্বারা নির্মিত হয়েছে। 

প্রত্যেক কোনায় কোনায় গোলাকার বেস্টনি রয়েছে এবং একমাত্র প্রবেশদ্বার উত্তরদিকে যাতে খিড়কী দরজা স্হাপন করেন। সুউচ্চ প্রাচীরের গায়ে অসংখ্য গোলাকার গর্ত রয়েছে যাতে শত্রু দিকে গোলা ছোড়া যায়।পুর্বদিকের প্রাচিরের মধ্যখানে একটি বৃত্তাকার মঞ্চ করা আছে যা দ্বারা দুর থেকে শত্রুর গতিবিধি পর্যবেখ্খন করা যায়।লোকমুখে শোনা যায় ঢাকার লালবাগের কেল্লার সাথে ইদ্রাকপুর কেল্লার সুড়ঙ্গ পথে যোগাযোগ ছিলো।  স্হানীয় এলাকার মানুষের কাছে দুর্গটি এস ডি ও কুঠি বলে পরিচিত।১৯০৯ সালে মুন্সিগঞ্জের মোগল স্থাপত্য নিদর্শন কেল্লাটি সংরক্ষিত পুরাকির্তীর মর্যাদা পায়।



১৮৪৫-১৯৮৫ পর্যন্ত ইদ্রাকপুর মহকুমা প্রশাসকের বাসভবন ব্যাবহৃত হয়।বর্তমানে এটা সাংস্কৃতিক মন্ত্রনালয়ের অধীনে আছে।

কিভাবে যাবেনঃঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় যে কোন গাড়ি দিয়ে যেতে পারবেন মুন্সিগঞ্জ সদরে।মুন্সিগঞ্জ সদরের পুরাতন কোর্টভবনের পাশে এর অবস্থান। 






https://smdalikarim10.blogspot.com/

চৌধুরী বাজার মঠ(Chowdhury Bazar Math)

চৌধুরী বাজার মঠ:মুন্সিগঞ্জ সদর হতে ১০ কিলোমিটার দূরে মহাকালি ইউনিয়নের কেওয়ার গ্রামে মঠ টি অবস্থিত।  কালের সাক্ষী হয়ে এখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে (অক্ষত)মেরামতকৃত অবস্থায়। শ্রীনাথ চৌধুরী তার বাবার সমাধিস্থলে এই মন্দিরটি এবং মঠ টি নির্মাণ করেন। কথিত আছে চৌধুরী তার সুন্দরী এক কন্যাকে ময়মনসিংহ এর  মুক্তাগাছার রাজা জগত কিশোর আচার্য চৌধুরী পরিবারের সাথে বিবাহ সম্পন্ন করেন।এই সম্পর্কের জের ধরে রাজা জগৎ কিশোর আচার্য বহুবার এই জনপদে আসেন।রাজা জগৎ কিশোর আচার্য এই এই মন্দিরটি নির্মাণ খরচ বহন করেন এবং চৌধুরী বাড়ী হতে রাস্তা নির্মাণ করে দেন যা নদীতীর পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এখনো বিদ্যমান।

২০০ফুট উঁচু মঠ টি দেখাশুনা করতেন কেদারেশ্বর চৌধুরী বা জলা মোক্তার। মুক্তিযুদ্ধের সময় এদেশীয় দালালরা চৌধুরী পরিবারের জলা মোক্তারসহ ১৫-২০ জন লোককে হত্যা করে। মন্দিরে কয়েকটি কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি ছিল যা মুক্তিযুদ্ধের আগেই চুরি হয়। সেখানে বর্তমানে কালী প্রতিমা রয়েছে যা কালীপূজার সময় ভক্তরা দেখতে পারে। অযত্ন-অবহেলায় মন্দিরটি নিচের অংশ প্লাস্টার খসে পরেছে কিন্তু উপরের অংশ এখনও অক্ষত অবস্থায় রয়েছে নিচের অংশ প্লাস্টার করে নতুন করে গেট  সংযোজন করা হয়েছে যা শুধুমাত্র কালী পূজার সময় দর্শনার্থীদের জন্য খোলা  হয়। ।মঠ টি উপরে পাখি কিচিরমিচির শব্দ পর্যটকরা খুবই আনন্দ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন আপনিও ঘুরে আসতে পারেন এমন একটি দর্শনীয় স্থান থেকে উপভোগ করতে পারেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।



https://smdalikarim10.blogspot.com/ 




সোনা রং জোড়ামঠঃ জোড়ামঠ অষ্টাদশ শতাব্দীর একটি প্রত্ননিদর্শন। মুন্সিগঞ্জ জেলার টংগীবাড়ী উপজেলার সোনা রং গ্রামে এর অবস্থান। সোনা রং জোড়া মঠ হিসেবে পরিচিতি পেলেও আসলে তা জোড়া মন্দির। বড়টি হলো কালী মন্দির এবং ছোটটি হলো শিব মন্দির। 

এশিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ এই মঠের উচ্চতা প্রায় ২৪১ ফুট এবং বড় মন্দিরের উচ্চতা প্রায় ১৫ মিটার।আকৃতিতে আটকোনা বিশিষ্ট মঠটি দৈর্ঘ ও প্রস্তে ২১ ফুট এবং এর দেওয়াল প্রায় ২ ফুট পুরু।মন্দিরের ছাদ গম্বুজাকৃতির।উভয় মঠটির সামনে বারান্দা দেওয়া আছে।


মন্দিরে রক্ষিত শিলালিপি থেকে জানা যায় যে,রুপচন্দ্র নামে একজন লোক ১৮৪৩ সালে কালী মন্দির  এবং ১৮৮৬ সালে ছোট মন্দির টি নির্মান করেন।মন্দিরের সামনে একটা বড় পুকুর রয়েছে যা মন্দির নির্মানের সময় খনন করা হয়। 


https://smdalikarim10.blogspot.com/



জগদীশ চন্দ্র বসু জাদুঘরঃ স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু ১৮৫৮ সালে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। প্রাথমিক,মা্ধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক শেষ ১৮৮০ সালে করে পাড়ি জমান লন্ডনে। উদ্দেশ্য ডাক্তার হবেন। কিন্তু ১৮৮৪ সালে তিনি ফিরে আসেন রসায়ন, পদার্থ এবং উদ্ভিদ শাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করে। 

স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একমাত্র বাংগালী বৈজ্ঞানিক। তিনি বেচে থাকতেই তার সমস্ত সম্পত্তি জনকল্যাণে দান করেন।১৯২১ সালে তার জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় সুরুজ বালা সাহা বিদ্যালয়।১৯৯১ সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু ইনস্টিটিউশন।

প্রায় ৩০ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত পৈত্রিক বসতবাড়ি জাদুঘর হিসেবে সাজানো হয়েছে। বিশাল আয়তনের বাড়িতে তৈরি করা হয়েছে কৃত্রিম ঝর্না পাহাড়, পাখির অবয়ব, পুকুরে শান বাধানো ঘাট এবং পর্যটকদের বিশ্রামর জন্য বিশ্রামাগার।

স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু জাদুঘরে আছে পোট্রেট,গবেষণা পত্র, রবীন্দ্রনাথের নোবেল জয়ী তে পাঠানো চিঠি, জগদীশ চন্দ্র বসু কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পাঠানো উত্তর, হাতে লেখা বই,এবং ১৭ টি ছবি।মহান ব্যাক্তি স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু ১৯৩৭ সালে পরলোক গমন করেন।




https://smdalikarim10.blogspot.com/


ভাগ্যকুল জমিদার বাড়িঃ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় ভাগ্যকুল গ্রামের প্রাচিন স্থাপত্য জমিদার বাড়ি। আনুমানিক ১৯০০শতকের দিকে জমিদার যদুনাথ সাহা বাড়ি টি নির্মান করেন।বাড়িতে গ্রীক স্থাপত্য শৈলী কারুকার্জ এবং ভেতর দেয়ালে ফুল,ফল,লতাপাতা, পাখি এবং ময়ুরের ছবি বিদ্যমান।ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ির সাথে বালিয়াড়ি জমিদার বাড়ির যথেষ্ট মিল রয়েছে। 

জমিদার যদুনাথ সাহা ব্যাবসা করতেন।তিনি লবন,সুপারি এবং শাড়ী বরিশাল হতে আমদানি করে মুর্শীদাবাদে রপ্তানি করতেন।তার পাচ ছেলের জন্য আলাদা আলাদা বাড়ি তৈরি করেন।বাড়ি গুলো কোকিল পেয়ারী বাড়ি,জমিদার বাড়ি, উকিল বাড়ি, জর্জ বাড়ি এবং ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ি হিসাবে স্হানীয় মানুষের কাছে পরিচিত।
 
কিভাবে যাবেনঃঢাকা গুলিস্তান থেকে দোহার রুটে যে কোন পরিবহনে চেপে বালাসুর বাজারে নামবেন। সেখান থেকে অটোরিকশা করে ভাগ্যকুল জমদার চলে যাবেন। 


https://smdalikarim10.blogspot.com/
মাওয়া রিসোর্ট 



মাওয়া রিসোর্টঃ মাওয়া ১ নং ঘাট থেকে ৫০০ মিটার দুরে প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে নির্জন ও নিরাপদ সৌন্দর্যে মাওয়া রিসোর্ট অবস্থিত। মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় অবস্থিত মাওয়া রিসোর্ট পর্যটকদের নিকট আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

মাওয়া রিসোর্ট প্রধান গেইট এ গেলে মনোরম পরিবেশে মন ভাল যাবে। সামনে পুকুর। পুকুরে ১৮ কটেজ যা কাঠের সাকো দ্বারা সংযোগ দিয়েছে। পুকুরে বোটে ঘুরে সময় কাটাতে পারবেন পরিবারের সঙ্গে। 
































Post a Comment

0 Comments

al quraner bidhan alo

al quraner bidhan alo